প্রাক-শৈশব উন্নয়নে অবদান রাখায় লেগো পুরস্কার পেয়েছেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ

প্রাক-শৈশব উন্নয়নে (আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট) অসামান্য অবদান রাখায় ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপারসন স্যার ফজলে হাসান আবেদ এবছর মর্যাদাপূর্ণ লেগো পুরস্কার পেয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার (১০ এপ্রিল) রাতে ডেনমার্কে এই পুরস্কার তাঁর হাতে তুলে দেন লেগো ফাউন্ডেশন বোর্ডের চেয়ারম্যন থমাস কির্ক ক্রিশ্চিয়ানসেন।

ডেনমার্কভিত্তিক করপোরেট প্রতিষ্ঠান লেগো ফাউন্ডেশন ১৯৮৫ সাল থেকে আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্টে অবদানের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এই পুরস্কার দিয়ে আসছে। এই পুরস্কার হিসেবে ১ লাখ মার্কিন ডলার দেওয়া হয়, যা দ্বারা ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রাক-শৈশব উন্নয়নের পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।

স্যার ফজলের প্রতিষ্ঠিত ব্র্যাক প্রথম থেকেই শিশুশিক্ষার উপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে। সময়ের আবর্তে ব্র্যাকের এই উদ্যোগ অনানুষ্ঠানিক (নন ফর্মাল) প্রাথমিক শিক্ষা থেকে আনুষ্ঠানিক প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং তারও পরবর্তী ধাপে উন্নীত হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ ছাড়াও এশিয়া ও আফ্রিকার ১০টি দেশে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা এবং প্রাক-শৈশব উন্নয়নে কাজ করছে ব্র্যাক। বর্তমানে বাংলাদেশ, তানজানিয়া ও উগান্ডায় ১৪ শ’-রও বেশি প্রাক-শৈশব উন্নয়ন কেন্দ্র পরিচালনা করছে ব্র্যাক। এর মধ্যে প্রায় ১২ শ’ কেন্দ্র বাংলাদেশে ‘খেলার জগত’ নামে পরিচালিত হচ্ছে। তিনটি দেশের এই কেন্দ্রগুলোতে ১ থেকে ৫ বছর বয়সী প্রায় ৪০ হাজার শিশু খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষালাভ করছে।

পুরস্কার গ্রহণকালে স্যার ফজলে হাসান আবেদ বলেন, ‘এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার পাওয়া অবশ্যই সম্মানের বিষয়। প্রতিটি শিশুরই বিকশিত হওয়ার অধিকার আছে। এই উদ্যোগটি বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সার্বিক উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখবে।’

এর আগের বছরগুলোতে যারা লেগো পুরস্কার পেয়েছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ফিনল্যান্ডের শিক্ষক পাসি সালবার্গ, যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ অধ্যাপক কার্লা রিনালডি, রাইট টু প্লে ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা জোহান কস প্রমুখ।

আমাদের কর্মস্থল

                

ব্র্যাক কুইজ

কোনটি দারিদ্র্য দূরীকরনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী?

বিকল্প যোগাযোগ পন্থা